রাজশাহীতে কার্যক্রম স্থগিত আওয়ামী লীগের মহানগর শাখার সহসভাপতি মাহফুজুল আলম লোটনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাতে নগরীর বোয়ালিয়া থানার কাদিরগঞ্জে এএইচএম কামারুজ্জামান পারিবারিক কবরস্থান সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্র ও বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, ওই কবরস্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী মোটরসাইকেল ও গাড়িতে করে এসে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় তাঁদের বাধা দিতে গেলে ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতিকে পিস্তল ঠেকিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
তাঁদের অভিযোগ, কবরস্থানের পাশের একটি ব্যক্তিগত চেম্বারে অবস্থান করছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা লোটন। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পুষ্পস্তবক অর্পণ ও অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় তাঁর ইন্ধন ছিল বলে তাঁরা দাবি করেন। এ ছাড়া ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলার অভিযোগও তোলেন তাঁরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে লোটনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব ইমদাদুল হক লিমন বলেন, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অস্ত্র প্রদর্শন ও বিএনপি নেতাকে হুমকির খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে যান। পরে পুলিশ এলে লোটনকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
বোয়ালিয়া থানার ডিউটি কর্মকর্তা লোটনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার রাতে তাঁকে থানায় আনা হয়েছে। একটি সুনির্দিষ্ট মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ঘটনাস্থলে মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোঃ রাকিন রায়হান রবীন, মহানগর যুবদলের সদস্যসচিব মো. রফিকুল ইসলাম রবি, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মুজিবুল হক মিলনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাতে নগরীর বোয়ালিয়া থানার কাদিরগঞ্জে এএইচএম কামারুজ্জামান পারিবারিক কবরস্থান সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্র ও বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, ওই কবরস্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী মোটরসাইকেল ও গাড়িতে করে এসে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় তাঁদের বাধা দিতে গেলে ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতিকে পিস্তল ঠেকিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
তাঁদের অভিযোগ, কবরস্থানের পাশের একটি ব্যক্তিগত চেম্বারে অবস্থান করছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা লোটন। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পুষ্পস্তবক অর্পণ ও অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় তাঁর ইন্ধন ছিল বলে তাঁরা দাবি করেন। এ ছাড়া ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলার অভিযোগও তোলেন তাঁরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে লোটনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব ইমদাদুল হক লিমন বলেন, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অস্ত্র প্রদর্শন ও বিএনপি নেতাকে হুমকির খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে যান। পরে পুলিশ এলে লোটনকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
বোয়ালিয়া থানার ডিউটি কর্মকর্তা লোটনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার রাতে তাঁকে থানায় আনা হয়েছে। একটি সুনির্দিষ্ট মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ঘটনাস্থলে মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোঃ রাকিন রায়হান রবীন, মহানগর যুবদলের সদস্যসচিব মো. রফিকুল ইসলাম রবি, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মুজিবুল হক মিলনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এম শামীম